বিশেষ প্রতিনিধি, Akther Hossan Saddam।।
আগামীকাল, ২৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার),
শহীদ
ডা. শামসুল আলম খান মিলন দিবস।
১৯৯০
সালের
স্বৈরাচার
বিরোধী
আন্দোলনের
এক
নির্ভিক
সৈনিক
শহীদ
মিলনের
স্মৃতির
প্রতি
গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন
বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান
তারেক রহমান।
তারেক রহমান
এক
বিবৃতিতে
বলেন,
“ডা. শামসুল আলম খান মিলনের আত্মত্যাগ ও সাহস আমাদের জন্য চিরন্তন প্রেরণা। তার স্মৃতি আমাদের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার লড়াইকে শক্তিশালী করে।”
তারেক রহমান লিখেছেন,
“শহীদ ডাঃ মিলন দিবস উপলক্ষে আমি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এক নির্ভিক সৈনিক শহীদ ডাঃ শামসুল আলম মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে অকুতোভয় শহীদ ডাঃ মিলন এর আত্মদানে হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়। তাঁর আত্মদানের মধ্য দিয়ে ৯ বছরের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলন চুড়ান্ত বিজয়ের পথে ধাবিত হয়। স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিলো তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার। বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিলেন। এই পথ ধরেই দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পূণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।
পতিত আওয়ামী সরকারের বিগত ১৬ বছরের দূর্বিষহ শাসনামলে মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করা হয়েছিল। দেশের মানুষ তাদের সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল। জনগণের কাছ থেকে দেশের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও এখনও আমাদের দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই। তবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না। শহীদ ডাঃ মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদেরকে প্রেরণা জোগাবে।
আজকের এই দিনে আমি ডাঃ মিলনসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।