প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা বর্তমান বিশ্বের অশান্ত পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর দিকনির্দেশনা দিতে পারে। তিনি বলেন, বুদ্ধের করুণা, সহনশীলতা ও মানবপ্রেমের আদর্শ আজও মানবজাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ শান্তি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক সংঘাত, সহিংসতা ও বিদ্বেষের এই সময়ে বুদ্ধের ‘অহিংসা’ ও ‘মধ্যপথের’ দর্শন মানবতার মুক্তির পথ দেখাতে পারে।
অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বুদ্ধের শিক্ষাকে আধুনিক সমাজে প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। সরকার শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণে বুদ্ধের বাণী অনুসরণের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।
উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বৌদ্ধ ভিক্ষু ও গবেষকরা বুদ্ধের শিক্ষা, নৈতিকতা এবং বিশ্ব শান্তি বিষয়ক বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করবেন।