জানা যায়, গুলশান এলাকার সামস ইশতিয়াকের সহায়তায় অভিযুক্ত শমশের আমেরিকা এবং তার ছোট ভাই আবু রায়হান ফিনল্যান্ড বসে পুরো অপহরণের পরিকল্পনা করেন।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্তদের বাবা আব্দুল লতিফ সরদার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘জহিরুল আমাদের কাছে অল্প কিছু টাকা পাবে। সেটা নিয়ে থানা ও এলাকায় মীমাংসার জন্য বসা হয়েছিল; কিন্তু সমাধান হয়নি। আর অপহরণ করে টাকা আদায় করার ঘটনায় আমার ছেলেরা জড়িত নয়।’
অন্যদিকে ফিনল্যান্ড থেকে আবু রায়হান মুঠোফোনে জানান, জহিরুল ইসলাম ও তার ভাইকে কেউ অপহরণ করেনি। কেউ তাদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ও করেনি। এ কথার কোনো ভিত্তি নেই।
প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় অভিযুক্ত সামস ইশতিয়াকের। তিনি দাবি করেন যে তিনি দেশের বাইরে আছেন এবং ঘটনার সময় বাংলাদেশে ছিলেন না। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো মুক্তিপণের টাকা নিইনি।’ তবে তার লোক টাকা নিয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারেননি তিনি। উল্টো সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রতিবেদককে উপঢৌকন বা গিফট দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পাওনা টাকা ফেরত দেয়াকে কেন্দ্র করে চাকরিজীবী ও তার ভাইকে অপহরণের ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। মূল ঘটনা রাজধানী ঢাকার বাড্ডা থানা এলাকায় হয়েছে। এ বিষয়ে বাড্ডা থানা থেকে কোনো তথ্য বা সহযোগিতা চাওয়া হলে সার্বক্ষণিক পাশে থাকবে মাদারীপুর জেলা পুলিশ।’