বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
অভিযোগ দাখিলের পর শুনানিতে আদালত বলেন— “অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান, তাই মামলাটি বিচার উপযোগী।”
দুই মামলার মধ্যে প্রথমটিতে ১৭ জন এবং দ্বিতীয়টিতে ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে গুমের একাধিক ঘটনা সংঘটিত হয়, যার দায় উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, এসব ঘটনায় রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন।
তাদের বিরুদ্ধে “command responsibility” ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা দাবি করেছেন— মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের বাইরে।
তাদের মতে, ১৯৭৩ সালের আইনে ট্রাইব্যুনাল শুধু ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ বিচার করতে পারে, সাম্প্রতিক সময়ের গুম মামলা নয়।
শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি বলেও জানায় প্রতিরক্ষা।
তবে আদালত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ধাপের শুনানির নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে তদন্ত সংস্থা ট্রাইব্যুনালে ৪৫ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে গুমের ঘটনাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ, ভুক্তভোগীদের তালিকা ও সাক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

