১৯৪০ এর দশকের শেষভাগে উত্তর কোরিয়ায় একনায়কতান্ত্রিক শাসন শুরু করে কিম জং উনের পরিবার। ২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পর সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন কিম। ২০১৯ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে রাষ্ট্রীয় সব বিষয়ে কিমের ক্ষমতাকে একক ও অখণ্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশটির পার্লামেন্ট।
১৫ বছরের এ যাত্রা শেষে আবারও ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন কিম জং উন। গতকাল (রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় দলীয় কংগ্রেসের চতুর্থ দিনে কিমকে পুনর্নিবাচিত করা হয়। এতে করে আরও বাড়লো কিমের ক্ষমতার মেয়াদ।
একই দিনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনা হয়েছে ব্যাপক রদবদল। প্রতিস্থাপন করা হয়েছে ৩৯ জনের কমিটির অর্ধেকের বেশি সদস্যকে।
উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসাবে পরিচিত এ কংগ্রেসের ভাষণে ওয়ার্কার্স পার্টির গত ৫ বছরের কাজ মূল্যায়ন করেছেন কিম। আগামী ৫ বছরের জন্য নতুন পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ করে বলেছেন, সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করায় গুরুত্ব দেবে পার্টি কংগ্রেসের নব নির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্যরা।
উত্তর কোরীয় গণমাধ্যমের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের চাপ থাকা সত্ত্বেও খুব শিগগিরই কংগ্রেসে পরবর্তী ধাপের পরমাণু কর্মসূচি ঘোষণা করবেন কিম। কংগ্রেসের এক অনুষ্ঠানে পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন কয়েক ডজন রকেট লঞ্চার উন্মোচন করেছিলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা।
প্রায় ৮৬ বছর ধরে উত্তর কোরিয়ার শাসনের ভরকেন্দ্রে কিমের পরিবার। আগামীতে কিমের মেয়ে জু আয়ের হাতেই যাচ্ছে দেশটির শাসনভার- এমন খবরও প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।








