চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি জিম্মিদের মরদেহ উদ্ধারে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।
গাজা ভূখণ্ডে লাগাতার ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ, অবকাঠামোর ধ্বংসস্তূপ, এবং কিছু নির্দিষ্ট এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারানোয় এই উদ্ধার অভিযান
আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
হামাসের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা ইতোমধ্যে উদ্ধারে সক্ষম সব জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করেছে, তবে যেসব মরদেহ ধ্বংসস্তূপ বা সংঘর্ষপূর্ণ এলাকায়
আটকে আছে, সেগুলো উদ্ধার করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
গাজার বিস্তীর্ণ অংশ এখনো বোমা বর্ষণের কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত। অনেক জিম্মিকে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ বা তীব্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
ভবনগুলোতে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় প্রবেশ করাও এখন হামাসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
হামাসের
এক মুখপাত্র বলেন:
“আমরা
মানবিক চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু গাজায় যেভাবে প্রতিনিয়ত বোমাবর্ষণ চলছে, তাতে অনেক জিম্মির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। কিছু মরদেহ ধ্বংসের মধ্যেই হারিয়ে গেছে।”
চলমান যুদ্ধবিরতির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল—ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি বা মরদেহ হস্তান্তর।
এর মধ্যেই হামাসের পক্ষ থেকে এধরনের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।
ইসরায়েল
এখনো দাবি করছে, গাজায় অনেক জিম্মি জীবিত অবস্থায় রয়েছে,
এবং হামাস তাদের অবস্থান গোপন করছে। অন্যদিকে হামাস বলছে, অধিকাংশ জিম্মি ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছে।
জাতিসংঘ ও রেড ক্রসসহ
বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা এই চুক্তি বাস্তবায়নে
উভয়পক্ষকে সহায়তা করছে। তবে উদ্ধার কার্যক্রমে নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় সংস্থাগুলোও
সরাসরি মাঠে নামতে পারছে না।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মরদেহ উদ্ধারে ব্যর্থতা যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্থায়ীত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, “সব জিম্মি ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান ফের শুরু হতে পারে।”
| ফজর | ৪:৪৮ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৬ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৩:৪৩ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৮ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:০০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১২:০০ মিনিট দুপুর |

