রাজধানীর পল্লবী থানার অন্তর্গত ৯১ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মোঃ লিটন আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সকাল ১০ ঘটিকার সময় আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৪০ বছর। তিনি ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও রাজনৈতিক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মরহুম মোঃ লিটন ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দুঃসময়ের এক লড়াকু ও নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক। বিগত ১৭টি বছর তিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে চরম জুলুম, নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। শত প্রতিকূলতা আর জেল-জুলুমের মুখেও তিনি দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। তার মতো একজন ত্যাগী নেতার হঠাৎ এভাবে চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারছেন না তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা। লিটনের মৃত্যুতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শ্রমিক দল নেতা লিটনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক ৪ বারের সফল কাউন্সিলর এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেহেরুন নেছা হক। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, "লিটন ছিলেন রাজপথের একজন নির্ভীক কর্মী। দলের প্রতি তার একাগ্রতা ও ত্যাগ আমাদের সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। তার মৃত্যুতে আমরা একজন বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে হারালাম, যা অপূরণীয় ক্ষতি।"
মেহেরুন নেছা হক মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন এই বীর সংগ্রামী নেতাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তার পরিবারকে এই কঠিন শোক সইবার শক্তি দান করেন।
আজ বাদ জোহর বা আসর মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।